অনুপ্রেরণা

কৃষ্ণবালক

এইযে আমাদের চারপাশে এতো এতো প্রেমিক প্রেমিকা ঘোরাঘুরি করেন। তারা কি একবারের জন্যও ভেবে দেখেছেন, তারা তার ভালবাসার মানুষটিকে পুরো পুরি পেয়ে গেছেন বলে দাবী করলেও আদপে তারা সেই মানুষটাক্র পুরোপুরি পেয়েছেন কিনা?

না তারা পাননি। তারা সেই মানুষটার অর্ধেক পেয়েছেন। কি বুঝতে পারছেন না তো? তাহলে বুঝিয়ে বলছি। পরিসংখ্যান বলে, প্রত্যেকটা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ভাবে চারটা মানুষ থাকে। এবং পরোক্ষ ভাবে ছয় জন। প্রত্যক্ষের চারজন নিম্নরূপ –

১। তাকে পাবার আগে তুমি যার ছিলে।

২। তোমাকে পাবার আগে সে যার ছিল।

৩। তুমি যার ছিলে সে এখন যার কাছে আছে।

৪। তোমার কাছে আসার আগে মানুষটা যার কাছে ছিল সেই মানুষটা এখন যার কাছে আছে!

কি এখন নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন ব্যপারটা? আপনার ভালবাসার মানুষটা আপনার কাছে আশার আগে কারো না কারো ভালোবাসার মানুষ ছিলো। সে যদি সেখানেই অর্ধেক থেকে থাকে আপনার কাছে পুরোটা এলো কি করে?

তবে অনুগ্রহ করে আমাকে আবার জিজ্ঞাস করে বসবেন না, মানুষটা একাধিক ভালবাসার মানুষ ছেড়ে আপনার কাছে এলে এখন আপনি তার কতটুকু পেলেন। এর জবাব স্বয়ং পিথাগোরাসের কাছেও নেই। তাই এবার মনে মনে ভাবুন আর বলুন,

– “আমি বোধহয় তোমাকে অর্ধেক পেয়েছি। আর অর্ধেক আমাকে! হ্যাঁ অর্ধেক! তোমার বাকি অর্ধেকটা যাকে দিয়েছো, আমার বাকি অর্ধেকটা যে পেয়েছে, তাদের দুজনের মনেও কী অর্ধেক না পাওয়ার অতৃপ্তি নেই? অনেকটা ঠিক আমাদের মতই?”

কি সব ছারখার লাগে রাতে? মন খারাপ হচ্ছে এই ভেবে,

– “যাকে পুরোটা পেয়েছি ভেবে আনন্দে আহলাদিত, তার অর্ধেক পেয়েছি কিনা সেটাই তো এক বিশাল রহস্য!”

হায়রে পিথাগোরসের সূত্র, শুধুই ভগ্নাংশ রেখে যায়!

০৫/০২/২০২২, ১০.৪০ AM

Obinash

শত শত ষ্পার্মের সাথে যুদ্ধ করে একটি মাত্র ষ্পার্ম মায়ের ওভারিতে পৌছুতে পেরেছিলো। সেটাই আমি, এক ও অদ্বিতীয়। নাম আমার অবিনাশ। যে সব দৃশ্য ভাবায়, বুকের ব্যাথা বাড়ায়, সেসব নোট করে করে বেড়ে উঠছি। একদিন সব সত্য ফাঁস করে দেবো বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *