প্রানীজগৎ

জগৎ বা রাজ্য হচ্ছে জীববিদ্যার একটি বিশেষ শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্যাক্সনমিক ধাপ যা বর্গের উপরে ও পর্বের নিচে অবস্থান করে। পশু-পাখি প্রকৃতির অন্যতম উপাদান। এই পৃথিবীতে মানুষের পরেই প্রাণিজগতের স্থান।

প্রানীজগৎ

টিকটিকির পটি

টিকটিকি মলত্যাগ করে এবং শরীরের একটি গহ্বর থেকে মল বের করে দেয় যাকে বলা হয় ক্লোকা। টিকটিকির মল দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে। কালো অংশ হলো মল। মলের টুকরোর শেষে একটি ছোট সাদা বা হলুদ বর্ণের জায়গা থাকবে। এটি আসলে টিকটিকি প্রস্রাব। টিকটিকি তাদের প্রস্রাব থেকে বেশি আর্দ্রতা ধরে রাখে তাই এটা সম্পূর্ণ তরল হয় না। সাদা অংশটা আসলে ইউরিক এসিড! এই এসিড আমাদের রক্তে থাকে রেচন পদার্থ হিসেবে।

Read More
প্রানীজগৎ

বাজিগর বাজ

বাজ পাখী প্রায় ৭০ বছর জীবিত থাকে। কিন্তু ৪০ আসতেই বাজকে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। নিজেকে পুনরাস্থাপিত করতে বাজ আশ্রয় নেয় উঁচু পাহাড়ে। সেখানে বাসা বাঁধে।আর শুরু করে নতুন প্রচেষ্টা। সে প্রথমে তার ঠোঁটটা পাথরে মেরে মেরে ভেঙে ফেলে। ১৫০ দিনের যন্ত্রণা ও প্রতীক্ষার পর সে সব নতুন করে পায়। পায় আবার আকাশে উড়ার ক্ষমতা আর পুরনো ক্ষিপ্রতা।

Read More
প্রানীজগৎ

টিক টিক, ঠিক ঠিক

বাসায় মানুষ ছাড়া যে প্রানীটি আরাম আয়েশে বড় হচ্ছে তা হলো টিকটিকি। ইদুর তেলাপোকা মারার জন্য হিট, ব্ল্যাক হিট, এরোসল সহ বিভিন্ন ধরনের মারনাস্ত্র থাকলেও ভোমা সাইজের টিকটিকিগুলো নিরুপদ্রবে দিনানিপাত করে বংশবৃদ্ধি করছে। এলিগেটর বা ক্রোকোডাইলের চেহারা যথেষ্ট স্মাইলিং হলেও একই গোত্রের টিকটিকি যথেষ্ট গুরুগম্ভীর।

Read More