ফেরা
অবশেষে ফিরে এলাম
পথহীন ঘন অরন্যের মধ্যে হেঁটেছি
এবং সুদির্ঘ আবর্তিত পথে –
সুদীর্ঘ চরণচিহ্ন হীন পথে।
এবং এখানে আমি গল্প বলছি –
কোথায় ছিলাম, এবং কেন,
এবং কি অবস্থায়?
কবিতা, কাব্য বা পদ্য হচ্ছে শব্দ প্রয়োগের ছান্দসিক কিংবা অনিবার্য ভাবার্থের বাক্য বিন্যাস যা একজন কবির আবেগ-অনুভূতি, উপলব্ধি ও চিন্তা করার সংক্ষিপ্ত রুপ এবং তা অত্যাবশ্যকীয়ভাবে উপমা-উৎপ্রেক্ষা-চিত্রকল্পের সাহায্যে আন্দোলিত সৃষ্টির উদাহরণ।
আমার সকালটা শুরু হয় কেমন জানো?
চোখ মেলতেই তোমার ঘুমন্ত মুখটা দেখি,
তোমাকে ছুঁয়ে দিতে আমার কি ভীষণ ইচ্ছে করে
কিন্তু হাত বাড়াই না!
তোমাকে ছুঁই না,
যে কিনা ডিপ্রেশনের সাথে
বার বার যুদ্ধ করে হেরে যাচ্ছে বারংবার,
আন্ধকারময় জীবনের ভাঙ্গা আয়নায় বার বার
মুখ লুকিয়ে গুটিশুটি মেরে বসে আছে বাক্ রুদ্ধ দেহটি।
সে চায় সামান্য সঙ্গ, একটু সাহস, একটু ভালোবাসা
সব ভালোবাসাই মিথ্যা নয়,
কিছু কিছু ভালোবাসাও সত্য এবং জয়ী হয়।
আমার যে কি হল কে জানে?
আজ কাল, জবার লাল মুখ খানা ও তেমন মুগ্ধ করে না আমায়।
তবে শুনেছি, মেয়ে লোকের শরীর ভারী হলে না কি
প্রেমে পড়ে।
আমি প্রেম কি জানি না, জানি একটা তুমি হোক।
ভিকারুন নেসা নুন
কলেজের ছাত্রী,
তুমি ছিলে ভাবনায়
কাল সারা রাত্রী।
পুঁথি বিতানে এসে
করে হৈ চৈ,
খুঁজছিলে সুনিলের
চপলা মেয়ে চুল কেঁটেছো
চুল কেটেছো চুল,
খাঁটো চুলে কেমন করে
গুঁজবো গোলাপ ফুল?
পিঠ ছাপানো দীঘল চুলের
বরন ছিলো কালো,