অনুপ্রেরণা

অনুপ্রেরণা মানে হল কাউকে কোন কাজের ব্যাপারে কোন উপায়ে আগ্রহী করে তোলা। হ্যাঁ এটি প্রত্যেকের জীবনেই প্রয়োজন হয়। তবে অনুপ্রেরণা কেবল ভাল কাজের ক্ষেত্রেই দেয়া উচিত এবং শুধু সত্য কথার মাধ্যমেই দেয়া উচিত।

অনুপ্রেরণা

জীবনের গোপন মানচিত্র

জীবনের লক্ষ্যের দিকে ভ্রমণ করতে চাইলে যা যা প্রয়োজন তার মধ্যে সচরাচর প্রেরণাকেই আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ব’লে মনে করি। কিন্তু আসল বিষয়টি তা নয়। আপনি আমি নিশ্চয়ই এমন অনেকের কথা জানি যাদের প্রেরণা দেয়ার লোকের অভাব নেই, কিন্তু তারা অত্যধিক প্রেরণায় বিরক্ত হন। এমনও অনেককে দেখা যায়, যারা প্রেরণায় কোনো অভাব বোধ করেন না, বরং সমাজের আর দশ জনকে প্রেরণা দিয়ে থাকেন।

Read More
অনুপ্রেরণা

জীবন স্রোতে

স্রোতের বিপরীতে চলা মোটেই সহজ নয়। যারা নদীতে সাঁতার কেটেছে তারা জানে স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটা কতটা কঠিন। হয়তো নিজের সীমাবদ্ধতাকে মানতে না পারার ইচ্ছায় স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটতে গিয়েছি। কিছুদূর গিয়ে পেশি আড়ষ্ট হয়ে আসে, হাত পা আর চলতে চায়না, চুপচাপ ঘুমিয়ে যেতে ইচ্ছা করে হাত পা ছেড়ে দিয়ে। ক্ষনিকের অসাবধানতায় নিজের অজান্তেই হয়তো নাকে মুখে পানি ঢুকে যায়।

Read More
অনুপ্রেরণা

মনোজগৎ ও আমাদের ক্রিয়া

মনোবিশ্লেষক সিডনি জে হেরিস একবার তার বন্ধুকে নিয়ে একটি পত্রিকার দোকানে যায়। তিনি একটি পত্রিকা কেনার পর দোকানদারটিকে বিনয়ের সাথে ধন্যবাদ জানানোর পরেও দোকানদার কোন প্রতুত্তর দিল না। পরদিন এবং তার পরদিন ঠিক একই ঘটনাই ঘটল। একদিন তার বন্ধু তাকে জিজ্ঞাসা করল, দোকানদারটি গোমড়ামুখো। তুমি তার কাছ থেকে যে যেরকম ব্যাবহার আশা কর সেটা না পাওয়া স্বত্বেও কেন তাকে ধন্যবাদ দিয়ে যাচ্ছ?

Read More
অনুপ্রেরণা

পথিক পথ হও

কিছু মানুষ হঠাৎ করে হারিয়ে যায়। সবার মাঝে থেকেও যেনো তারা নেই। নিজেকে হারিয়ে ফেলেছে কোন এক অজানা জগতে। তাদের জীবনে থাকে না কোন পিছুটান। থাকে না কোন লক্ষ্য। থাকে না কোন চাওয়া-পাওয়া, থাকে না কোন স্বপ্ন। তাদের জীবনটা হয় শুষ্ক মরুভূমির মতো। পথ হারা পথিকের মতো তারা কি যেনো খুঁজে যায়। কি যেনো একটা নেই। মায়াবী চেহারার সেই সরল ছেলেটির মতো। যার জীবনে এক সময় নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিলো। ছিলো ছোট ছোট কিছু চাওয়া-পাওয়া।

Read More
অনুপ্রেরণা

কিছু করে দেখানোর এইতো সময়

ভাল চাকরি হয়নি, হতাশায় ডুবে গেলাম। ভালবাসায় সফলতা আসেনি, গাজা, ইয়াবা খাওয়া শুরু করলাম। জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে সামনে এগুতে পারলাম না, আত্যহত্ত্যা করে ফেললাম। আমরা কি কখনো ভাবি, এই দেহ, এই সৌন্দর্য, এই জীবন কার দেওয়া? যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, তার প্রতি কতটা শুকরিয়া আদায় করেছি? যারা আমাকে দুনিয়ার মুখ দেখালেন, সেই মা বাবার প্রতি কতটা দায়িত্ব পালন করা হয়েছে? এই জীবনটা তাদেরই দান।

Read More
অনুপ্রেরণা

বিবর্ন সময়

সময় সাথে নিজেকে পরিবর্তন করতে হয়। তবে লোকের কথায় নিজেকে পরিবর্তন করাটা বোকামি। বরং নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে নিজের জন্যে এবং ভালোর দিকে। নিজেকে আরো স্মার্ট করার জন্যে। এই ভাল করে গড়ে তোলাটা সম্পুর্ণ নিজের উপকারের কথা ভেবে। বান্ধবী কিংবা গার্ল ফ্রেন্ড পচ্ছন্দ করেনা তাই সিগারেট ছাড়বেন, তা কেন? সিগারেট ছাড়বেন কারন ওটা বহু রোগের কারন। ক্যান্সার হতে পারে। আস্তে আস্তে ছেড়ে দিবেন।

Read More
অনুপ্রেরণা

হ্যাঁ দ্বিধা না

মরে যেও না, আর একটু দেখো। কাল সকালটা কিংবা পরশু বিকেলটা। এই তো, সামনের মাসেই ঝুম বৃষ্টি হবে। আজ তোমার হাতে ছাতা নেই ঠিকই। কিন্তু সেই বৃষ্টির দিনে কোন একটা রঙ্গিন ছাতার নিচে তুমি কারো হাত ধরে জড়সড় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। বিশ্বাস হচ্ছে না? বিশ্বাস হবেই সেদিন! ডিপ্রেসনে ভুগছো? প্রচন্ড একা লাগছে? তোমার আশেপাশেই তোমার মত একা একটা মানুষ আছে। দেখা হয়ে যাবে একদিন তার সাথে।

Read More
অনুপ্রেরণা

অভিমানি মন

মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী। সে চায়, তার মন খারাপ হলে প্রিয় মানুষটাকে না বললেও সে বুঝে ফেলুক। ফোন করে খানিক ম্লান গলায় ‘হ্যালো’ বলতেই ওপারের মানুষটা বলুক, ‘তোমার মন খারাপ?’ তার এলোমেলো চুল, খানিকটা লাল চোখ দেখে বলুক, ‘তোমার ঘুম হয়নি রাতে? দুঃস্বপ্ন দেখেছো? টেনশন করছো কিছু নিয়ে?’ সে চায়, মানুষটা বুঝুক, কখন শক্ত করে বুকের সাথে চেপে ধরতে হয়, চোখের সামনে আলতো করে হাত ছুঁইয়ে বন্ধ করে দিতে হয় চোখের পাতা। সে চায়, মানুষটা বুঝুক, কখন হাতের মুঠোয় হাত রাখতে হায়, ফিসফিসিয়ে বলতে হয়, ‘আমিতো আছিই।

Read More
অনুপ্রেরণা

স্বপ্নবিলাসী মন

যখন স্বপ্নবিলাসী মানুষটির ঘুমের ঘোর কেটে যায়, স্বপ্নের অবসান ঘটে, তখন স্বপ্নবিলাসী মানুষটিও ভুলে যায় যে সেও কোন এক মানব/মানবীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলো। আসলে, কেউ বা ডাঙায় ঝোলে, কেউ বা জলে ভাসে। আবার কেউ বা অন্ধকারের অত্বল গহ্বরে হারিয়ে যায়। এখানে দোষ কার বেশি? যে স্বপ্ন দেখে নাকি যে স্বপ্ন দেখায়?

Read More
অনুপ্রেরণা

ডিএনএ

একজন পুরুষ একবারে ২০০-৩০০ মিলিয়ন স্পার্ম নির্গত করেন। এই ৩০০ মিলিয়ন স্পার্ম, ওভাম এর দিকে ছুটতে ছুটতে পৌছায় মাত্র ৩০০-৫০০ পিস। স্পার্ম ওভাম এর কাছে যেতে পারে, আর বাকিরা এই “ছুটে চলার” দৌড়ে ক্লান্ত-স্ত্রান্ত হয়ে বিলিন হয়ে যায়। এই ৩০০-৫০০ স্পার্ম যেগুলা ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে এদের মধ্যে মাত্র একটাই ডিম্বানুকে ফার্টালাইয করে। আর যে একটা ডিম্বানুকে ফার্টালাইয করে, সেটাই আপনি কিবা আমি।

Read More