ঘটনার ঘনঘটা
ঘটনা এক –
সন্ধ্যার পর ফ্রেন্ডসদের সাথে দেখা করি, আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরি। প্রতিদিন যে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি তা আজ আর চেনা যাচ্ছে না। রাস্তার চারিধার মরিচ বাতি দিয়ে সাজানো। বিয়ে বাড়িও মুড়ে দেয়া হয়েছে লাল-নীল মরিচ বাতি দিয়ে। খোঁজ নিয়ে জানলাম, পাড়ার ছোট ভাইয়ের বিয়ে। এতো দিনের চেনা পথ তাই অচেনা লাগে।
হঠাৎ আলোর ঝলকানি আমার সয্য হয় না। চোখে লাগে। আর তাইতো চোখ ডলতে ডলতে বাড়ি ফিরলাম। আর আম্মিজান আমার চোখ লাল দেখে জানতে চাইলো, চোখে কি হয়েছে। আমিও বললাম,
– রঙ্গিন আলোর ঝলকানি সয্য হয় না।
আর তখনি আম্মুর তরিত জবাব,
– কতো বার বললাম ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে যেয়ে একবার চোখ পরিক্ষা করিয়ে আন। না, তা যাবে না। কে শোনে কার কথা।
আমিও বললাম,
– এতো বড় হইলাম সেটাও তো কেউ দেখলো না। চোখের সমস্যা কি খালি আমার একার?
ঘটনা দুই –
রাতে আরেক ছোট ভাই হঠাৎ ফোন দিয়া কয়, হেতে বিয়া কইরালাইচে। আমিও কইলাম,
– আমাগো কথা একবারও ভাবলা না।
হেতে কয়,
– এখন কন, খুইজ্জা আনি।
আমি তারে সাথে সাথে থামায় দিয়া কইলাম,
– তোমার ও তো একটা ছোট ভাই আছে তাই না?
হেতে নগদ কইলো,
– ছোট ভাই দেশে আইতাছে বিয়া করতে।
মনডায় চায়, সব কয়টা ছোট ভাই ব্রাদারের হাত পা বাইন্দা কানে কষ্টেপ দিয়া মোবাইল লাগায় সেই অমর বানী শুনাই, “আপনার এয়ারটেল সিমটি বায়োম্যাট্রিক নিবন্ধন করেছেন কি? না করে থাকলে এখনই আপনার নিকটস্থ বায়োম্যাট্রিক পয়েন্টে এক কপি ছবি এবং জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে চলে আসুন। আপনার নিকটস্থ বায়োম্যাট্রিক পয়েন্টের ঠিকানা জানতে ডায়াল করুন।”
মূল লেখাঃ ০২/০৭/২০১৬, ১১.২৫ PM
ব্লগে প্রকাশঃ ১৫/০১/২০২২, ০৭.৩৫ PM
