গল্পছোট গল্প

অ্যারেঞ্জ ম্যারেঞ্জ

বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে দুজনের। দিন পনের পরেই তাদের বিয়ে। ভালোলাগা মিশ্রিত অনুভূতি নিয়ে ছেলেটি ফোন করলো মেয়েটিকে।   

ছেলে – হ্যালো?

মেয়ে – কে বলছেন?

ছেলে – আমি।

মেয়ে – ওহ আচ্ছা।

ছেলে – চিনতে পেরেছেন?

মেয়ে – হ্যা পেরেছি।

ছেলে – নাম্বার সেভ করেন নি?

মেয়ে – না।

ছেলে – কেন?

মেয়ে – কি নামে সেভ করব, বুঝে উঠতে পারিনি, তাই।

ছেলে – তাহলে ‘Unknown’ লিখে সেভ করলেই হতো।

মেয়ে – কিন্তু আপনি আমার ‘অপরিচিত’ না যে!

ছেলে – ওহ তাও তো কথা!

মেয়ে – হুম, আচ্ছা একটা কথা বলি?

ছেলে – হ্যা শিউর!

মেয়ে – গত পরশু আপনার একটা ছবি পাঠিয়েছিলেন, তাই না?

ছেলে – হুম।

মেয়ে – চোখের নিচে দেখলাম কালি পড়েছে, রাত জাগেন নাকি খুব? প্লিজ রাত জাগাটা কমিয়ে দিন।

ছেলে – না মানে মাঝে মধ্যে একটু জাগা হয়।

মেয়ে – সিগারেট খান বুঝি? ঠোঁট দুটোও কেমন কালচে লাগছে। ভুলেও আর সিগারেট ধরবেন না খবরদার!

ছেলে – আচ্ছা।

মেয়ে – আপনার রুমে দেখলাম দরজা জানালার পর্দা লাগানো হয়নি এখনো!

ছেলে – হ্যা, আসলে সময়ই পাচ্ছি না।

মেয়ে – কালই মার্কেটে যাবেন। নীল রঙের দরজা আর জানালার পর্দা নিয়ে আসবেন।

ছেলে – আচ্ছা।

মেয়ে – আর শোনেন?

ছেলে – হুম বলুন।

মেয়ে – আপনি এত ‘আপনি আপনি’ করছেন কেন মেয়েদের মত? ‘তুমি’ করে বলতে পারেন না?

ছেলে – আচ্ছা।

মেয়ে – কিসের আচ্ছা?

ছেলে – ওই যে আর কি ’তুমি’।

মেয়ে – হিহিহি, আচ্ছা এখন রাখি?

ছেলে – আচ্ছা।

মেয়ে – ওহ আরেকটা কথা!

ছেলে – কি?

মেয়ে – না থাক!

ছেলে – আরে বলতো!

মেয়ে – কাল কখন ফোন দিবেন আবার?

ছেলে – দিবো না।

মেয়ে – কিইহহ??

ছেলে – আরে দিবো তো!

দুজনের মধ্যে অ্যারেঞ্জ ম্যারেজে বিয়ে ঠিক হয়ে যাওয়ার পরের সময়টা অন্যরকম। অদ্ভুত রকমের অন্যরকম। কেমন যেন অন্যরকম।

০৭/০২/২০২২, ০১.২৫ PM

Obinash

শত শত ষ্পার্মের সাথে যুদ্ধ করে একটি মাত্র ষ্পার্ম মায়ের ওভারিতে পৌছুতে পেরেছিলো। সেটাই আমি, এক ও অদ্বিতীয়। নাম আমার অবিনাশ। যে সব দৃশ্য ভাবায়, বুকের ব্যাথা বাড়ায়, সেসব নোট করে করে বেড়ে উঠছি। একদিন সব সত্য ফাঁস করে দেবো বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *