অনুপ্রেরণা

২৭ বছরে ছুটি না নেয়ায় উপহার প্রায় ২ কোটি টাকা

কথায় বলে কষ্ট করলে ফল মেলে। কাজের প্রতি একনিষ্ঠ হলে দেরি করে হলেও তার পুরস্কার যে ঠিকই পাওয়া যায়, সে কথাই প্রমাণ করলেন এক বেসরকারি সংস্থার কর্মী। দীর্ঘ ২৭ বছরের কর্মজীবনে কখনও ছুটি নেননি। আর তারই স্বীকৃতি স্বরূপ সেই কর্মী পেলেন প্রায় দুই কোটি টাকা!ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, বার্গার কিং নামে বেসরকারি ফুড চেইন একটি সংস্থার কর্মী কেভিন ফোর্ড। গত ২৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি একদিনও ছুটি নেননি।

 এমনকি, সপ্তাহান্তে কোনো অফ ডে অর্থাৎ সাপ্তাহিক ছুটিও নিতেন না। কাজের প্রতি তার এই ভালবাসা, একনিষ্ঠ আচরণে মুগ্ধ সংস্থাও।সেই কারণেই একগুচ্ছ উপহার দিয়ে একটি ব্যাগ তুলে দেওয়া হয় কেভিনের হাতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে তার সেই উপহার পাওয়ার দৃশ্য। যেখানে ব্যাগ থেকে একের পর এক জিনিস বের করে দেখাচ্ছেন কেভিন। পেন থেকে চকলেট, মেমেন্টো, সিনেমার টিকিট ইত্যাদি নানা ছোটখাটো উপহারে ভরে গেছে তার ব্যাগ।

এসব উপহারের কিছু দিয়েছে কোম্পানি আর বাকিটা সহকর্মীরা। কিন্তু এর চেয়েও বড় উপহার তার কাছে এসেছে মেয়ের হাত ধরে। কেভিনের মেয়ে সেরিনা অনলাইনে অনুদানের জন্য একটি পেজ তৈরি করেছিলেন।যেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, দীর্ঘ ২৭ বছর তার বাবা টানা কাজ করে চলেছেন। নিজের ছেলে-মেয়েকে ভালোভাবে লেখাপড়া করাতে, সংসার চালাতে তার এই আত্মত্যাগ। বাবাকে ধন্যবাদ স্বরূপ অনুদানের আবেদন করেছিলেন সেরিনা। আর সেই আবেদনেই মেলে বিপুল সাড়া।

ইতোমধ্যেই ২ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ জমা পড়েছে ৫৪ বছর বয়সী কেভিনের ঝুলিতে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কেভিনের ভিডিও দেখে আপ্লুত নেটিজেনরা। জানা গেছে, এরপর থেকে আরও বেশি পরিমাণে অনুদান আসছে কেভিনের কাছে। সকলকে পাশে পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত মেয়ে সেরিনাও।তবে অনেকের অভিমত, কোম্পানি তাকে এই একনিষ্ঠতার জন্য যে উপহার দিয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু পাওয়া উচিত তার।

০১/০৭/২০২২, ১০.০০ AM

N-Desk

ন্যাশনাল ডেস্ক যা কোথাও কোথাও N-Desk নামেও পরিচিত। এই ডেস্ক থেকে অবিনশ ব্লগে বাংলাদেশের চলমান ঘটনা তুলে এনে পেশ করা হয়ে থাকে। আপনিও চাইলে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আমাদের লিখে পাঠাতে পারেন সম্প্রতি ঘটে যাওয়া যে কোন তথ্য কিংবা ঘটনা সম্পর্কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *