তবুও স্বপ্নের পাখিরা উড়ে
মাঝে মাঝে নিজেকে অত্যন্ত নিঃসঙ্গ মনে হয়। আর এই নিঃসঙ্গতা কাটানোর জন্য আমি গান শুনি, বই পড়ি। কিন্তু কেউ কি আমার এই শূন্যতার কথা বোঝে? না, কেউ বোঝে না। বুঝতে চায় না। তাই কখনো কখনো এই আমি সেই নিঃসঙ্গতার চাকায় পিষ্ট হয়ে যাই। বেঁচে আছি অ-ন-ক কষ্ট এবং কিছু তোলপাড় নিয়ে।
কখনো কখনো বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে চাঁপা দীর্ঘশ্বাস, ছড়িয়ে পড়ে এদিক সেদিক। কিন্তু কষ্টটা আমারই রয়ে যায়। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করি, আচ্ছা, আমি কার দিকে বাড়াই ব্যাকুল হাত? ডেকে ডেকে বাকরুদ্ধ কন্ঠে আর শব্দ ষ্ফুরে না।আমার ব্যথিত ডাক বিষন্ন রাতের পাখি হয়ে নিথর ঘুমায়। তাই আজ আমি নিজের কাছেই যেন নিঃসঙ্গ।
যতই আকুল স্বরে ডাকি, করি আর্তনাদ। এই ব্যথিত ব্যাকুল ডাক দুয়ারে শুধু ব্যর্থ করাঘাত করে ফিরে যায়, হারিয়ে যায় সময়ের অতল গহ্বরে। শুধুই ঘুরে ফিরে দেখি কেবল নিজেরই ছায়া। তাইতো আজো বসে আছি বন্ধু, তোমাকে দেখবো বলে।
প্রথম লেখাঃ ২০/০৮/২০১৬, ১২.৫৫ AM
ব্লগে প্রকাশ; ০২/০২/২০২২, ১০.৩০ AM
