অনুবাদ গল্পগল্প

যে মাছটি জীবন বাঁচিয়েছিল

নাসিরুদ্দিন একবার এক গুহার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে ভেতরে এক যোগী সাধককে গভীর ধ্যানমগ্ন অবস্থায় দেখতে পেল। সে সাধককে জিজ্ঞেস করল সে আসলে কিসের উদ্দেশ্যে ধ্যানমগ্ন। সাধক তাকে বলল,

– ‘আমি প্রাণীর আচারন সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করছি এবং ইতোমধ্যে এমন কিছু আচারন সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করেছি যেগুলো মানুষের জীবনে স্থানান্তরযোগ্য।’

নাসিরুদ্দিন জবাব দেয়,

– ‘একটা মাছ একবার আমার জীবন বাঁচিয়েছিল। সেই ঘটনাটা আমি তোমাকে বলব, যদি তুমি যা আয়ত্ব করেছ তা আমাকে শেখাও তবে।’

সাধক বিস্ময়ে হতভম্ব হয়ে যায়। একজন পবিত্র ধার্মিক ব্যক্তিরই কেবল কোন মাছের দ্বারা জীবন রক্ষা পেতে পারে। সে সিদ্ধান্ত নেয় নাসিরুদ্দিনকে সব শেখাবে। অর্জিত সকল বিদ্যা নাসিরুদ্দিনকে শেখানোর পর সাধক বলল,

– ‘এখন আমি যা কিছু শিখেছিলাম সব তোমাকে শিখায়ে দিয়েছি। এখন মাছটা কিভাবে তোমার জীবন বাঁচিয়েছিল তা জানালে কৃতার্থ হব।’

নাসিরুদ্দিনের ঝটপট উত্তর,

– ‘খুব সোজা। আমি যখন মাছটি ধরলাম তখন আমি ছিলাম ক্ষুধায় মৃতপ্রায়, ওই মাছটিকে ধন্যবাদ, সে আমার তিন দিনের খাবারের যোগান দিয়েছিল’।

[অনুবাদ গল্প, পাওলো কোয়েলহো’র ক্ষুদে গল্প “দ্যা ফিশ হো সেইভড মাই লাইফ” এর ভাবানুবাদ।]

২৬/০৫/২০২২, ০৯.৩০ AM

Kuasha

হয় একদম শেষ অথবা একদম প্রথম, কোন কিছুর মাঝামাঝি থাকা আমার বড় অপছন্দ। আমি স্বপ্ন দেখি তা বাস্তবায়িত করার জন্য। একা থাকা, মুভি দেখা, পেন্সিল দিয়ে ছবি আঁকা ও বই পড়া আমার নেশা। খুব বিরক্ত লাগে পিছনে কিংবা আমার আড়ালে কেউ কথা বললে। লাইফ নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে করতে নিজেই কখন যে এক্সপেরিমেন্টাল প্রজেক্টে রুপান্তরিত হয়েছি বুঝিনি। জীবনে অনেক কিছু হতে চেয়েছি। কিন্তু কিছুই হতে পারিনি। তার মানে এই নয় যে আমি ব্যর্থ একজন মানুষ। আমার ব্যর্থতাতেই আমার সফলতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *