গল্পভূতের গল্প

ভুতের ভালোবাসা

ভুত হয়ে যাওয়ার পর থেকে অয়ন বিরাট ঝামেলার মধ্যে আছে। এখানে এয়ারটেলে একদম নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। ইউটিউবে প্রচন্ড বাফারিং, ফেসবুকও চলে ধুকে ধুকে। মুভি দেখা, গান শোনা আর অল্প একটু চ্যাটিং; মরার পর এই ভুত লাইফে এন্টারটেইনমেন্ট বলতে তো এইটুকুই। কিন্তু এখানে এই এয়ায়টেল সিম নিয়ে অয়ন যাস্ট ফেসে গেছে। অন্য সিম যে কিনবে তারও উপায় নেই। নতুন সিম এক্টিভ করতে আজকাল হাতের ছাপ লাগে। ম্যাট্রিক না সেকেন্ডারী, কি জানি বলে ঐটারে। বাট প্রবলেম হচ্ছে ওর অশরীরি শরীর। এই বায়বীয় শরীর নিয়ে তো আর আংগুলের ছাপ দেয়া পসিবল না। ও যখন প্রথম প্রথম মরেছিলো তখন অবশ্য এতো প্রবলেম ছিলো না। থাকতো ঢাকা শহরে, একদম ফকফকা থ্রিজি।

কিন্তু ঝামেলা ছিলো অন্যখানে। ওকে না দেখতে পেয়ে লোকজন হুটহাট গায়ের উপর এসে পড়তো। তারা কিছু টের না পেলেও ধাক্কাটা খেতে হতো অয়নেরই। একদিন তো এক ভদ্রমহিলা একগাদা থুথু ডিরেক্ট মুখে মেরে দিছে। ইয়াক। ইচ্ছে হচ্ছিলো এই অভদ্র ভদ্রমহিলাকে খুন করে ফেলতে। বাট শুধু শুধু ভুতের সংখ্যা বাড়িয়ে লাভ কি? এমনিতেই ভুত সমাজে পপুলেশন প্রবলেম মহামারী আকার ধারন করেছে। ভুতশুমারী ২০২০ মতে বর্তমানে দেশে প্রতি বর্গমাইলে ৩৫৯ জন ভুতের বাস। তাই শেষমেষ ব্যাধ্য হয়েই ঢাকা ছাড়তে হলো অয়নের। এখন বান্দরবনের এক জংলা মতন বাড়িতে মাঝবয়সী ভুত ফ্যামিলির সাথে সাবলেট থাকে। বাসায় ভুত আন্টির কড়া নিয়ম, সারারাত যা খুশি করো নো প্রবলেম বাট, সকাল দশটার পর আর বাড়ির বাইরে থাকা চলবে না। সেই অয়ন আজকাল প্রায় দিনই বাড়ীতে ফেরে না। বিশাল এক রেইন্ট্রি গাছের মগডালে বসে ফেসবুক চালায়। বন্ধ ঘরের তুলনায় এখানে একটু বেটার নেটওয়ার্ক। ভুত আন্টি ডেইলি ডেইলি ঝাড়ি দেয়, থ্রেট দেয় এভাবে চললে দ্রুতই নতুন বাসা খুজতে হবে। বাট অয়ন ফেসবুক ছাড়া একটা মুহুর্ত থাকতে পারে না। ফেসবুকে যে মিতু আছে। ওর হার্ড ক্রাশ, হৃদয়ের রাণী আর স্বপ্নের রাজকন্যা।

সাদিয়া ইসলাম মিতু ঢাকার হলিক্রস কলেজে ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ে। ফেসবুকে একদম নতুন, কিন্তু এর মাঝেই বেশ কয়েকজন ভালো বন্ধু পেয়ে গেছে। এরকম একটা ছেলে অয়ন। যার আইডি নেম ‘অদ-ভুত অয়ন’। বলতে গেলে এই ছেলেটার সাথে মিতুর সারাদিনই চ্যাট হয়। কিন্তু অয়নের সম্পর্কে ও প্রায় কিছুই জানে না। কিসে পড়ে, বাসা কোথায়, ফ্যামিলীতে কে আছে – এইসব প্রশ্ন করলেই এড়িয়ে যায় ছেলেটা। কেমন একটা রহস্যময় লাগে মিতুর কাছে। গুণ গুন করে গান গাচ্ছিলো অয়ন,

– “অনেক সাধনার পরে আমি…..”

বাকিটা রাজু গেয়ে দিলো পাশ থেকে,

– “পেলাম তোমার মন। উহু, মন না রে… মন না।”

অয়ন রাজুর কাধে হাত রাখলো,

– “বল পেলাম তোমার ফোন নাম্বার। আই মিন মিতুর ফোন নাম্বার।”

এই রাজু নামের অশান্ত পিচ্চিটা আজকাল অয়নের শিষ্য। সারাদিন অয়নের পেছন পেছন ঘুরে বেড়ায়। ছেলেটা খুন হয়েছে অল্প কয়েকদিন হলো। কিছু শয়তান লোক ওকে চুরির অপরাধে পিটিয়ে মেরে ফেলে। আহারে। মায়া হয় অয়নের।

– ‘আচ্ছা ভাই একখান কথা জিগামু?’

– ‘হু বল।’

– ‘ঐ মিতু ভাবী কি ফেসবুকের মধ্যে থাকে?’

অয়নের হাসি পায়। ছেলেটা টের পেয়ে গেছে মিতুর সাথে ভাবী জুড়লে ও খুশি হবে।

– ‘হুম থাকে তো। তুই যাবি ফেসবুকের মধ্যে?’

– ‘হ ভাই যামু।’

রাজু বেশ উত্সাহী হয়ে বলে।

– ‘আচ্ছা কাছে আয়।’

অয়ন ফ্রন্ট ক্যামেরা অন করে দুজনের একটা সেলফি তুলে ফেলে। তারপর আপলোড করে দেয় ফেসবুক। কিছুক্ষন পর একটা কমেন্ট পড়ে,

– ‘ওহ নো ফ্রান্স, ডেইলি ডেইলি ব্লাংক ছবি আপলোড দাও ক্যান? কাহিনী কি?’

অনেক সাহস সঞ্চয় করে অয়ন শেষমেষ মিতুর নাম্বারে ফোন দিলো,

– ‘হ্যালো এটা কি টু ফোর ফোর ওয়ান থ্রি নাইন? আমি কি বেলা বোসের সাথে কথা বলছি?’

– ‘ধুররর, ফাজলামী কইরেন না তো। কে আপনি?’

– ‘আই এম দ্যা গ্রেট অয়ন; বেলা বোসের বয়ফ্রেন্ড।’

– ‘ওহ অয়ন তুমি। এত্তো ফাজিল হইছো ক্যান? কেমন আছো?’

– ‘এইতো ভালোই, তুমি?’

– ‘হুম ভালো। বাট তোমার কন্ঠ এরকম শোনা যাচ্ছে কেন? কেমন যেন নাকে নাকে কথা বলতেছ।’

অয়নের একবার ইচ্ছে হলো বলে, ভুত নাকি সুরে কথা বলবে না তো কি করবে? কখনো ভুতের গল্প পড়োনি? বাট অনেক কস্টে নিজেরে কন্ট্রোল করলো। বললো,

– ‘ইয়ে.. মানে… সর্দি লেগেছে।’

পরেরবার অবশ্য অয়ন আর এই ভুল করেনি। ফোন দেয়ার আগে প্লে স্টোর থেকে ‘ম্যাজিক ভয়েস’ নামের একটা ভয়েস চেন্জিং এপস নামিয়ে নিয়েছে। এবার সবকিছু ঠিকঠাক।

– ‘আচ্ছা মিতু, তোমার কি মন খারাপ?’

– ‘হুম, অন্নেএএএক।’

– ‘কেন বলোতো?’

– ‘তোমাকে তো রাসেলের কথা বলেছি, ঐ যে মাস্তান ছেলেটা আমারে দৈনিক বিরক্ত করে।’

– ‘হ্যা, তো?’

– ‘তো আবার কি, আব্বু ব্যাপারটা জেনে ফেলে আর ঝামেলা চাচ্ছেন না। আমার বিয়ে দেয়ার জন্য চেস্টা শুরু করে দিয়েছেন।’

ব্যাপারটা শোনার পর থেকেই অয়নের ভীষন কান্না পাচ্ছে। মিতুর বিয়ে হয়ে গেলে ও যাস্ট মরে যাবে। আচ্ছা ভুত মরে গেলে কি হয়? কে জানে। তবে একটা উপায় অবশ্য আছে। অয়নের মাথায় হুট করেই জিনিসটা চলে আসে। সারাজীবনের জন্য পেতে হলে মিতু নামের মেয়েটাকে খুন করে ফেলতে হবে। যেই ভাবা সেই কাজ, অয়ন সেদিনই বান্দরবন টু ঢাকা আন্তনগর ট্রেনের ফাস্টক্লাস কম্পার্টমেন্টে এক মোটকু লোকের ভুড়ির উপর আরাম করে শুয়ে ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দিলো। পরদিন ভোর সাড়ে সাতটা নাগাদ কমলাপুর রেলস্টেশন।

মিতুদের বাসা শুক্রাবাদ, খুজে পেতে পেতে বেলা প্রায় দেড়টা। তারপর মিতুর সামনে দাড়াতেই এক নিমেষে সমস্ত ক্লান্তি ধুয়ে মুছে গেল অয়নের। মিতু সোফায় আধশোয়া হয়ে টিভিতে টম এন্ড জেরি দেখছিলো; টম একটা ফুটবলের গায়ে ধাক্কা খেয়ে ফুটবলের মতন গোল হয়ে যেতেই ফিক করে হেসে ফেললো ও। সেই হাসিমুখের দিকে তাকিয়ে বিশাল একটা দীর্ঘশ্বাস বেরোলো অয়নের বুক থেকে। এই হাসিখুশি কিউট মেয়েটাকে খুন করা কিভাবে সম্ভব? অয়ন বেঁচে থাকতে একবার বলাকা সিনেওয়াল্ডে অনন্ত জলিলের ‘নিস্বার্থ ভালোবাসা’ সিনেমা দেখেই লোকটার ফ্যান হয়ে গেছিলো। অসম্ভব’কে সম্ভব ওকে করতেই হবে। আপাতত খুনের একটা পারফেক্ট প্লান করে ফেলা হয়েছে; প্লানটা বেশ সহজ। মিতু বিকালে ছাদে বেড়াতে গেলে পেছন থেকে ছোট্ট একটা ধাক্কা। পাঁচতলা থেকে নিচে কংক্রিটের রাস্তায় পড়লে আর দেখতে হবে না, একদম স্পট ডেড।

এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাকই ছিলো কিন্তু ঝামেলাটা বাধলো ধাক্কা দেয়ার সময়। সেদিন বিকালেই মিতু এককাপ কফি হাতে ইয়ারফোনে গান শুনতে শুনতে রেলিং এ ভর দিয়ে একেবারে ছাদের কর্ণারে ঝুকে পড়লো। পেছনে অয়ন একদম রেডি, এইবার বাকি শুধু ধাক্কা দেয়াটা। কিন্তু না, পারলো না অয়ন। শেষ মুহুর্তে বিবেক নামের আজাইরা বস্তুটা ওর হাত চেপে ধরলো। মিতুর মায়ের মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠলো। অয়ন মারা যাওয়ার পর অয়নের মা তিনদিন অজ্ঞান ছিলো। এখনো উনি প্রায়দিনই অয়নের রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে কাঁদেন। নাহ, খুন অয়ন করতে পারবে না, কোনোভাবেই পারবে না। এইরকম পরিস্থিতিতে অয়ন যখন নিজের উপরে যারপরনাই হতাশ তখন ওর অজান্তেই মিতুকে পাওয়ার একটা সুযোগ চলে আসলো। পুরান ঢাকার দুর্ধর্ষ মাস্তান রাসেল খান ওরফে গাঞ্জা রাসেল। সে সিগারেটে ভরা গান্জায় একটা বড়সড় টান দিয়ে পাশে বসা শিষ্য মিজানের দিকে লাল চোখে তাকালো। তারপর বিশ্রিরকম একটা গালি দিয়ে বললো,

– ‘ঐ শালী মিতুর কতোবড় সাহস আমারে রিজেক্ট করে। ও এহনো আমারে চিনে নাই, একদম খুন কইরা ফালামু শালীর বেটিরে।’

পাশ থেকে মিজান ভয়ে ভয়ে বলে,

– ‘বস, সিলেটের বদরুলের কাহিনী শুনেন নাই? ওই পোলা এই কাজ করতে গিয়ে অহন নিজেই ফাইসা গেছে।’

খিক খিক করে হাসে রাসেল,

– আমি ঐ হারামজাদার মতো এতো গাধা না যে ভীড় রাস্তায় মাইনষের মধ্যে মারতে যাবো।

তারপর মিজানের দিকে তাকিয়ে আদেশের সুরে বলে,

– যা, লোকজন নিয়ে গিয়ে তুইলা আন হারামজাদীটারে।’

অয়ন গত কয়েকদিন ধরে টোটাল টুয়েন্টি ফোর আওয়ারস মিতুর সাথে সাথে থাকছে। এই মুহুর্তেও মিতুর পাশেই আছে। প্রায়ান্ধকার একটা রুমে মিতুকে চেয়ারের সাথে আষ্টেপিষ্ঠে বেধে রাখা হয়েছে। রাসেল বাহিনীর কথা শুনে অয়ন বুঝেছে কিছুক্ষনের মধ্যেই মিতুকে খুন করা হবে। তারই প্রস্তুতি হিসাবে মদ খাচ্ছে রাসেল। নেশা না করলে নাকি সহজে মানুষ খুন করা যায় না। কথাটা অবশ্য বিশ্বাস করেছে অয়ন। আগে জানলে ও নিজেই ট্রাই করে দেখতো। তবে শেষপর্যন্ত মেয়েটা খুন হচ্ছে এটাই বড় কথা। অয়ন খুশি মনে মিতুর পাশের চেয়ারটায় বসে পা দোলাতে থাকে। পায়ের লাথিতে এক ঝটকায় দরজা খুলে রুমে ঢুকলো রাসেল, হাতে বড়সড় একটা রামপুরী ছোরা। সেটা দেখে ভয়ে থরথর করে কাপা শুরু করেছে মিতু। হয়তো চিত্কার দেয়ার শক্তিটুকুও নেই গায়ে। রাসেল এগিয়ে গিয়ে চুল মুঠো করে ধরে কয়েকটা অশ্রাব্য গালি দিলো। তারপর ছুরিটা চালিয়ে দিলো মিতুর গলা লক্ষ্য করে। মিতুর ভয়ার্ত অসহায় মুখটার দিকে তাকিয়ে নিজের মায়ের চেহারার সাথে মিল পেল অয়ন।

অয়নের চিংড়ী মাছ খুব প্রিয় ছিলো এজন্য ওর মৃত্যুর পর বাসায় একদিনের জন্যও এই খাবারটা রান্না হয়নি। আচ্ছা মিতুর প্রিয় খাবার কি? কে জানে। মিতু হঠাৎ প্রচন্ড অবাক হয়ে লক্ষ্য করলো রাসেলের ছুরি ধরা হাতটা শূণ্যে উঠে আস্তে আস্তে বেঁকে যাচ্ছে। তারপর পাশের টি-টেবিলে রাখা পাথরের ভারী ফুলদানিটা আপনা আপনি হাওয়ায় ভেসে ভেসে রাসেলের মাথার উপর সজোরে আছড়ে পড়লো। এবারে ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্দোর পেনাল্টি শটের ফুটবলটার মতন উড়ে গিয়ে রাসেলের বডিটা দোতলার থাইগ্লাস ভেঙ্গে নিচে রাস্তায় গিয়ে পড়লো। একদম স্পট ডেড। মৃতদেহ দেখে রাস্তার লোকজন পুলিশে খবর দিলো।

ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হলো মদ খেয়ে মাতাল হয়ে রাসেল তার দলের এক বা একাধিক সদস্যের সাথে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে, ফলে রাসেলের এই অবস্থা হয়। তবে প্রতিপক্ষ যেই ই হোক তার হাতে হাতমোজা পরা ছিলো। কারন ফুলদানি বা রাসেলের গায়ে কোনো হাতের ছাপ পাওয়া যায়নি। আর মিতু যেটা দেখেছে সেটা ছিলো অত্যাধিক ভয়ের কারনে হ্যালুসিনেশান। ঝামেলা এড়াতে আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরানোর জন্য মিতুর বাবা মিতুকে দুদিন পরেই আমেরিকা চাচার বাসায় পাঠিয়ে দিলেন।

পরিশিষ্টঃ ভুত হওয়ার পর যে একটা মানুষ এতোটা বদলে যেতে পারে সেটা রাসেলকে না দেখলে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। সে আজকাল অয়নের বেস্ট ফ্রেন্ড। প্রতিদিন সন্ধ্যায় দুজন হোয়াইট হাউসের ছাদের উপরে বসে জোসনা দেখতে দেখতে ধ্যান করে মিতুর।

– ‘বুঝলি রাসেল, যাকে ভালোবাসা যায় তার কোন ক্ষতি কখনোই করা যায় না।’

অয়ন রাসেলের কাঁধে হাত রেখে বলে,

– ‘হুম দোস্ত, ঠিক কথা। 

রাসেল সমর্থন জানায়। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে,

– মানুষ থাকতে কতোটা অবুঝই না ছিলাম।’

তারপর দুজনে মানুষের বুঝার অক্ষমতা নিয়ে অনেকক্ষণ আফসোস করে। অয়নের ফোনে বাজতে থাকে এশেজের গান,

– ‘নেশা কেটে গেলে তুমিও কেটে যাবে।’

আস্তে আস্তে ভোর হয়ে আসে। বারাক ওবামার হাক-ডাকে জেগে ওঠে পুরো হোয়াইট হাউস। বেলা বাড়ে; দিনটাও শেষ হতে থাকে ধীরে ধীরে। কিন্তু নেশা কাটে না দুজনের একজনেরও। তারা আশি নব্বই বছর পরের একটা দিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। কি আর করা। ভুত জনমই যে অপেক্ষার।

০০/০০/২০২২, ০৩.০৪ PM

Obinash

শত শত ষ্পার্মের সাথে যুদ্ধ করে একটি মাত্র ষ্পার্ম মায়ের ওভারিতে পৌছুতে পেরেছিলো। সেটাই আমি, এক ও অদ্বিতীয়। নাম আমার অবিনাশ। যে সব দৃশ্য ভাবায়, বুকের ব্যাথা বাড়ায়, সেসব নোট করে করে বেড়ে উঠছি। একদিন সব সত্য ফাঁস করে দেবো বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *