ইতিহাসবিশেষ সংকলন

সপ্তর্ষির সপ্ত ঋষি

সপ্তর্ষি (তারামণ্ডল)

সপ্তর্ষিমন্ডল দ্বিতীয় শতকের জ্যোতির্বিদ টলেমি কর্তৃক প্রণীত ৪৮টি তারামণ্ডলের একটি। আধুনিক কালে বর্ণিত ৮৮টি তারামণ্ডলের তালিকায়ও এটি তৃতীয় বৃৃহত্তম । এটিি সাতটি তারার সমন্বয়ে গঠিত নক্ষত্রমণ্ডল। উত্তরগোলার্ধ থেকে সারা বছরই এই তারামণ্ডলকে দেখা যায়। উপমহাদেশের জ্যোতির্বিদগণ সাত জন ঋষির নামে এই সাতটি তারার নামকরণ করেন তাই এই নক্ষত্রমণ্ডলটি সপ্তর্ষিমন্ডল নামে পরিচিত হয়।

সাতজন ঋষির নাম:

১। ক্রতু
২। পুলহ
৩। পুলস্ত্য
৪। অত্রি
৫। অঙ্গিরা
৬। বশিষ্ঠ
৭। মরীচি

সপ্তর্ষির সপ্ত ঋষি 01

সপ্তর্ষির অবস্থান

সপ্তর্ষিমন্ডল সারা বছর ধ্রুবতারার চারদিকে ঘোরে। সপ্তর্ষিমন্ডলের প্রথম দু’টি তারা ক্রতু ও পুলহ-কে যোগ করে সরলরেখা কল্পনা করলে ঐ সরল রেখা ধ্রুবতারার দিকে নির্দেশ করে, এবং রেখাটিকে বিপরীতে চালিত করলে সিংহ রাশিতে নির্দেশ করে।

এতে বশিষ্ঠ এর পাশে ছোট একটি তারা দেখা যায়, নাম অরুন্ধতি। অরুন্ধতি ছিলেন ঋষি বশিষ্ঠের স্ত্রী।

সপ্তর্ষির নামকরন

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীমদ্ভগবদগীতায় বলেছেন, সমগ্র মহাজগতের চারভাগের তিন ভাগই চিৎ বৈকুন্ঠ জগৎ আর বাকী এক ভাগ জড় ব্রহ্মান্ড জগৎ। সৃষ্টির এক ভাগ জুড়ে থাকা শুধুমাত্র এই জড় ব্রহ্মান্ড জগতে রেয়েছে অনন্ত কোটি ব্রহ্মান্ড ও গ্রহ নক্ষত্রের সমাবেশ।

আকাশ, বায়ু, অগ্নি, জল, ভূমি, অহংকার ও মহৎতত্ত্ব এই সপ্ত মহাআবরণ দিয়ে এক একটি ব্রহ্মান্ড গঠিত। ‘ব্রহ্ম’ অর্থ ‘বিশাল’ এবং ‘অন্ড’ অর্থ ‘ডিম্ব’ অর্থাৎ ব্রহ্মান্ড মানে বিশাল গোলক বুঝায়। প্রতিটি ব্রহ্মান্ডের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

সপ্তর্ষি (তারামণ্ডল) ইতিহাস

আমাদের এই ছোট ব্রহ্মান্ডের ব্যাস ৬০০ কোটি কিলোমিটার। এই ব্রহ্মান্ডে অবস্থিত শনি গ্রহ (Saturn) এর ১২ লক্ষ কিলোমিটার উপরে এবং ধ্রুবতারা ১২ লক্ষ কিলোমিটার নীচে মধ্যবর্তী স্থানে সপ্তর্ষিমন্ডল অবস্থিত।

রাতের স্নিগ্ধ আকাশের দিকে তাকালে অনেক সময় কোটি কোটি তারার ভিড়ে ৭ টি অত্যুজ্জ্বল নক্ষত্রের সন্নিবেশ আলাদাভাবে চোখে পড়ে। বৈদিক শাস্ত্র মতে এই ৭ টি নক্ষত্র সপ্তঋষি নামে পরিচিত। এরা হলেন ক্রতু, পুলহ, পুলস্ত্য, অত্রি, অঙ্গিরা, বশিষ্ঠ, মরীচি। তবে বিভিন্ন মনন্তরে সাতজন ঋষির পরিবর্তন হয়ে থাকে।

বৈদিক জগতের বিস্ময় ‘সপ্তর্ষিমন্ডল

তবে সপ্ত ঋষিগন জীবের কল্যাণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্রে পরিভ্রমণ করে থাকেন। সৃষ্টির আদিতে ব্রহ্মা তার মন থেকে এই সাতজন ঋষি সৃষ্টি করেন। এজন্য তাদেরকে ব্রহ্মার মানসপুত্র বলা হয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই সপ্তঋষিকে মানবসমাজে যথার্থ পারমার্থিক জ্ঞান প্রদানের দায়িত্ব প্রদান করেছেন।

তাই তারা যুগেযুগে পথ প্রদর্শক ও আদি পিতা হিসেবে মানবজাতিকে সঠিক পথ সন্ধানে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন। আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা ও সপ্তর্ষিমন্ডলের অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত। গোলাকার অতি উজ্জ্বল এই সেভেন বেয়ার, গ্রেট বেয়ার (Great Bear) কিংবা বিগ ডিপার নামে পরিচিত।

 প্রতি ১০০ বছরে এটি প্রতি নক্ষত্রে গমনাগমন করে থাকে। গবেষণা মতে ৮০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে এখন পর্যন্ত ৫ টি নক্ষত্রে স্থান পরিবর্তন করেছে বিগ ডিপার যা বৈদিক মতে, হরাপ্পান সভ্যতা ও সপ্তর্ষি পঞ্জি মতেও সঠিক। এ প্রসঙ্গটি ১৯৬২ সালে উত্থাপন করেন বিজ্ঞানী ফিলোজট। এছাড়া সেভেন বেয়ার খুব ধীর গতিতে পোল ষ্টারের (ধ্রুবতারা) এর চতুর্দিকে ঘুরতে থাকে।

জ্যোতির্বিদ্যা মতে, বিগডিপারসমূহ হচ্ছে পূর্বদিকে আলফা রশ্মি সমৃদ্ধ আলকাইড নক্ষত্র, ডেলটা রশ্মি সমন্বিত মিগ্ররেজ, এপসাইলন রশ্মি সমন্বিত পিকডা, ইটা রশ্মি সমন্বিত ধুবি নক্ষত্র, নিচে এই সাতটি নক্ষত্রের বৈদিক নাম দেওয়া হল –

১) বৈদিক নাম – ক্রতু
রশ্মি বা তরঙ্গ – ইটা
পাশ্চত্য নাম – ধুবি

২) বৈদিক নাম – পুলহ
রশ্মি বা তরঙ্গ – জিটা
পাশ্চত্য নাম – মিরক

৩) বৈদিক নাম – পুলস্ত্য
রশ্মি বা তরঙ্গ – এপসাইলন
পাশ্চত্য নাম – পিকডা

৪) বৈদিক নাম – অত্রি
রশ্মি বা তরঙ্গ – ডেলটা
পাশ্চত্য নাম – মিগরেজ

৫) বৈদিক নাম – মরীচি
রশ্মি বা তরঙ্গ – গামা
পাশ্চত্য নাম – এলিথো

৬) বৈদিক নাম – বশিষ্ঠ
রশ্মি বা তরঙ্গ – বিটা
পাশ্চত্য নাম – মিজার

৭) বৈদিক নাম – ভৃগু
রশ্মি বা তরঙ্গ – আলফা
পাশ্চত্য নাম – আলকাইড

সপ্তর্ষির সপ্ত ঋষি 05

হিন্দু শাস্ত্রে সপ্তর্ষির প্রভাব

যখন ধ্রুব মহারাজ কঠোর তপস্যা ও শুদ্ধ ভক্তির মাধ্যমে ভগবান বিষ্ণুকে সন্তুষ্ট করেন, তখন ভগবান বিষ্ণু তাঁকে ধ্রুবলোক প্রদান করেন যা মৃত্যরহিত নক্ষত্র। ভগবান বিষ্ণু বর্ণনা করেছেন যে, সপ্তর্ষিমন্ডল ২৬০০ বছরে ধ্রুবলোক পরিভ্রমন শেষ করে কিন্তু অন্যান্য তারা, সূর্য ধ্রুবলোক প্রদক্ষিন করবে ২৬,০০০ বছরে। ভগবান ধ্রুবকে বর প্রদান করেছিলেন যে, ত্রিলোক ধ্বংস হলেও ধ্রুবলোক কখনো ধ্বংস হবে না।


ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাইলে পড়ুন –


শ্রীমদ্ভাগবতম ছাড়াও বিভিন্ন শাস্ত্রে সপ্ত ঋষির উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে রামায়ণে বিভিন্ন লীলায় তারা সকলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যেমন – বাল্মিকী ছিলেন রামায়নের রচয়িতা, বশিষ্ঠ ছিলেন ভগবান রামচন্দ্র ও তার ভাইদের শিক্ষক, বিশ্বামিত্র রাম ও লক্ষণকে রাক্ষস নিধন ও সাধু রক্ষার জন্য বিভিন্ন কৌশল শিক্ষা দিয়েছিলেন।

রাবণের সাথে সর্বশেষ যুদ্ধ হওয়ার পূর্বদিন আগস্ত মুনী লঙ্কায় উপস্থিত থেকে ভগবান রামের সঙ্গী হয়েছিলেন। এছাড়া ভরদ্রাজ, গৌতম ও অত্রি ঋষিও রামায়নে ভূমিকা পালন করেন। অপরদিকে অধিকাংশ বেদস্তুতি রচয়িতা সপ্তঋষির অস্তিত্ব প্রাচীন দ্রাবিড় সভ্যতায় পাওয়া যায়।

বিখ্যাত আর্কিওলজিস্ট ফ্র্যাক হিয়ারস ও স্যার জন মার্শাল মহেঞ্জাদারো ও হরাপ্পা এলাকায় গবেষণা করতে গিয়ে সেখানের উত্তরে গভীরে অতি উন্নত প্রাচীন দ্রাবিড় সভ্যতার অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন।এছাড়া দ্রাবিড় সভ্যতার ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসেবে প্রায় ১২,০০০ বছরের পুরাতন তামিল শাস্ত্রলিপি পাওয়া যায়। দ্রাবিড় সভ্যতার অস্তিত্ব আবিষ্কার হয়েছে উত্তর ভারতে।

মজার তথ্য

আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে এই সাতজন ঋষির বংশীয় পরিচয় থেকে মানুষের বিশেষ বিশেষ নাম ও গোত্রের আবির্ভাব ঘটেছে। বৈদিক জ্যোতির্বিদ্যায় বৈদিক রাশি ও গোত্রের সভ্যতা এবং বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্রের সাথে সম্পর্কের ধারণা পাওয়া যায়।

বিভিন্ন পুরাণ যেমন বিষ্ণুপুরাণ, মৎস্যপুরাণ, বায়ু পুরাণ, বেদ ও অমল পুরাণ শ্রীমদ্ভাগবতমে সপ্তঋষির নাম ও কার্যকলাপ ও বৈজ্ঞানিক গতিবিধির বিস্তৃত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এসব পুরাণাদি শাস্ত্রে লিখিত সপ্তর্ষিমন্ডলের বিবরণ সম্পর্কে অবগত হয়ে প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞানী যেমন ভাস্করাচার্য, যমুনাচার্য, বল্লভ প্রমুখ সপ্তর্ষিমন্ডল অস্তিত্ব সম্পর্কিত বহু গবেষণাকর্ম সম্পাদন করে গেছেন।

অতি আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে পরবর্তীতে পশ্চিমা বিজ্ঞানীগণ, ভারতীয় বিজ্ঞানীদের অনুসরণ করেছেন এবং তাদের অনেকেই ভারতীয় বৈদিক সাহিত্য ও বিজ্ঞানীদের অবদানের কথা স্বীকার করেছেন।

১৯৬২ সালে বিজ্ঞানী ফিলিওজেড গ্রেট বিয়ার সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভাস্করাচার্যের অবদানের কথা বলেন এবং বিষ্ণু পুরাণ থেকে সুনির্দিষ্ট শ্লোকের অবতারণা করেন। আধুনিক জ্যোতিষশাস্ত্রে সপ্তর্ষিমন্ডলের অবস্থান নির্ণয় করে বহু ঘটনা ও ব্যক্তি অবস্থানের সঠিক সময় নির্ণয় করা হচ্ছে।

খুব সম্প্রতি পশ্চিমা বিজ্ঞানীরা সপ্তর্ষিমন্ডলের ধারণা সমন্বিত আধুনিক “স্টার চার্ট সফটওয়্যার” আবিষ্কার করে। এই সফটওয়্যারের একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি এখনো পর্যন্ত কোন ভুল গণনা সম্পন্ন করেনি। এটি সূর্য, চন্দ্র, সপ্তর্ষিমন্ডলের গতিবিধি অনুযায়ী সঠিক গণনাকার্য সম্পাদন করতে পারে।

সপ্তর্ষির সপ্ত ঋষি 03

অধুনিক জামানায় নক্ষত্র

স্বচ্ছ রাতের আকাশে সাতটি উজ্জল নক্ষত্রের উপস্থিতি সত্যিই মনোমুগ্ধকর। আর সেই কারনেই হয়তোবা পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি সভ্যতায় এবং জাতিতে এই সপ্তর্ষিমন্ডলের অস্তিত্বের নিদর্শন পাওয়া গেছে। তাই তো মহাকাশে দৃশ্যমান সপ্তর্ষিমন্ডল বিজ্ঞানীদের কাছে পরিচিত হল “সেভেন বিগ ডিপার” এবং গ্রিকদের কাছে পরিচিত হল “সেভেন প্লেইডেস” নামে।

এক্ষেত্রে বৈদিক পুরাণ ও গ্রীক পুরাণের মধ্যে অনেকাংশে মিল লক্ষ্য করা যায়। প্রাচীন বৈদিক তত্ত্বদর্শীরা “বৈদিক ক্যালেন্ডার” তৈরি করেছেন শতবর্ষপঞ্জী অনুযায়ী। সপ্তর্ষীগণ বা বিগ ডিপার প্রতিটি ১০০ বছরে ভিন্ন ভিন্ন নক্ষত্র প্রদক্ষিণ করে। এাভাবে ২৭ টি নক্ষত্র প্রতি ১০০ বছরে প্রদক্ষিণ করার পর সপ্তর্ষিমন্ডলের তাঁর কক্ষপথে একবার ভ্রমণ সম্পূর্ণ হয়।

অর্থাৎ সপ্তর্ষিমন্ডল তার কক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে ২৭০০ বছর সময় লাগে। ইতোমধ্যে বৈদিক বিজ্ঞানীগণ সেই ২৭ টি নক্ষত্র আবিষ্কার করেছেন এবং তাদের প্রত্যেকটির নামকরণ অনুসারে “সপ্তর্ষি ক্যালেন্ডার” তৈরি করা হয়েছে। সেই বিগ ডিপার আবার প্রতি ২৭০০ বছরে একবার মাত্র পোল স্টার প্রদক্ষিন করে থাকেন।

প্রতি ২৭০০ বছর পর পর সৌরমন্ডলের এক একটি গ্রহ আংশিক ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। একটি পোল স্টারকে কেন্দ্র করে সেভেন বিগ ডিপার ২৭ টি নক্ষত্রে প্রদক্ষিন করতে থাকে। অমল পুরাণ শ্রীমদ্ভাগবতমে এই আশ্চর্যজনক ঘটনার পূর্ণ বিবরণ উল্লেখ আছে।

বিজ্ঞানে সপ্তর্ষি

এখন প্রশ্ন হল সপ্তঋষির উপস্থিতি একই সাথে উত্তর ভারত এবং প্রাচীন লঙ্কায় থাকা কিভাবে সম্ভব? এ বিষয়টির সমাধান পাওয়া যায় জার্মান ভূতত্ববিদ ওয়েগনার এবং স্যার টি. ডবলু হোলডারনেসের গবেষনা থেকে। গবেষণামতে, বর্তমান শ্রীলঙ্কার ভূপ্লেট অর্থাৎ রাবণের লঙ্কা একসময় লেমুরিয়া নামক স্থানের অংশ ছিল যেটি আবার কুমারী কদম নামেও পরিচিত।

এই বিশাল স্থানটি উত্তর ভারত, সীলন দ্বীপ ও মাদাগাস্কার দ্বীপ সংলগ্ন এবং প্রায় ৩৫০০ বছর পূর্বে এই স্থানটি ভারত মহাসাগরে বিলীন হয়। অতএব, এই থেকে প্রমাণিত হয় যে, সপ্তঋষিগণ বিভিন্ন কল্পে পৃথিবীতে অবস্থান করে ভগবানের বিভিন্ন লীলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

সপ্তর্ষিমন্ডলের গতিবিধি, চন্দ্র, সূর্য ও অন্যান্য গ্রহ নক্ষত্রাদির অবস্থান অনুসারে সপ্তর্ষি এরা নামক সংগঠন একটি “স্টার চার্ট” সফটওয়্যার তৈরি করে। এই সফটওয়্যারের বিশেষত্ব হচ্ছে এটি দিয়ে অতি প্রাচীন কোন ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময়কাল নির্ণয় করা যায়।

সপ্ত ঋষিগণ হচ্ছেন মানবজাতির তত্ত্বদ্রষ্টা ও পথপ্রদর্শক। তাদের একমাত্র কাজ হচ্ছে এই ব্রহ্মান্ডের সমস্ত জীবকে প্রকৃত পারমার্থিক শিক্ষা দিয়ে ভগবদধামে প্রেরণ করা। অনন্ত মহাকাশের বুকে উজ্জ্বল দীপ্তি ছড়িয়ে সপ্তঋষিগণ কি আমাদের জীবনের সেই পরম উদ্দেশ্য সাধনের আহবান জানাচ্ছেন? ভাববার বিষয় বটে।

০৬/০৪/২০২২, ০৯.৪৪ PM 

তথ্যসূত্রঃ

১। https://bn.wikipedia.org/wiki/

N-Desk

ন্যাশনাল ডেস্ক যা কোথাও কোথাও N-Desk নামেও পরিচিত। এই ডেস্ক থেকে অবিনশ ব্লগে বাংলাদেশের চলমান ঘটনা তুলে এনে পেশ করা হয়ে থাকে। আপনিও চাইলে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আমাদের লিখে পাঠাতে পারেন সম্প্রতি ঘটে যাওয়া যে কোন তথ্য কিংবা ঘটনা সম্পর্কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *