লাইফষ্টাইলস্বাস্থ্য

ভারনিক্স

ভারনিক্স” নামক শব্দটির সঙ্গে আমরা কতটা পরিচিত?

বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে “ভারনিক্স” বলে। “ভারনিক্স ” নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।

এই ভারনিক্স সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়। বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয়, তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে “সম্পূর্নরূপে পরিষ্কার” করা হয়নি। অতঃপর রোগির সাথে থাকা আত্নিয় – স্বজনরাই মুছতে বসে যান।


স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য সম্পর্কে অন্যান্য লেখা –


সৃষ্টি তাঁর নিজের ভেতর অনেক গভীর রহস্য লুকিয়ে রেখেছেন। তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই! সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডাব্লিউ এইচ ও এর মতে, শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা উচিত। তবে সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।

০৯/০৪/২০২২, ০৪.১০ PM

N-Desk

ন্যাশনাল ডেস্ক যা কোথাও কোথাও N-Desk নামেও পরিচিত। এই ডেস্ক থেকে অবিনশ ব্লগে বাংলাদেশের চলমান ঘটনা তুলে এনে পেশ করা হয়ে থাকে। আপনিও চাইলে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আমাদের লিখে পাঠাতে পারেন সম্প্রতি ঘটে যাওয়া যে কোন তথ্য কিংবা ঘটনা সম্পর্কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *