ইতিহাস

কামের ফাঁদ

কাম কলায় বিভোর? ভাইরে, সাবধান! এই বিখ্যাত ব্যক্তিরাও যৌবন উপভোগের সময় অক্কা পাইয়াছেন (প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য)!

প্রথমেই ব্লগার আপুদের বলিতেছি। ভাইজানেরা যদি একটু বেশী দুস্টু হইয়া উঠেন, উনাদের বাঁধ ভাংগা কামভাব যদি না থামানো যায় তবে এই পোস্টখানি প্রিন্ট করিয়া মাথার কাছে বা বাথরুমের আয়নায় লাগাইয়া রাখিবেন। দেখিবেন আপনার জ্বালাময়ী কামদেব আমদেব হইয়া গিয়াছে।

ভাইরে, একটু রসসিক্ত জীবন কাহার না ভালো লাগে। কে না চাহে যৌবনের শিখায় একটু উম নিতে। কিনতু ভাই, সবকিছুরই ভালো মন্দ দিক আছে। তাই, ভাইজানরা – আপুদের উষ্নতা লইবার আগে, রাতে বিরাতে তাহাদের ঘুম হারাম করিবার আগে জানিয়া নিন কিভাবে উত্তেজনার চরম মুহুর্তে ঘটিতে পারে মারাত্মক বিপর্যয়, হইতে পারে জীবন লইয়া সংগীন অবস্হা। পড়ুন কিভাবে এই বিখ্যাত ব্যক্তিগন জীবন দিয়া যৌবনের পাওনা মিটাইয়াছেন!

১। নেলসন রকফেলার, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট –  হাঁ ভাই! এই বুড়ো ভাম ১৯৭৯ এ রতিক্রিয়া রত অবস্হায় হার্ট এটাক হইয়া মারা গেছেন! তবে কাহিনী এখানেই শেষ নহে। যাহার সাথে উনি ইটিশ পিটিশ করিতেছিলেন উনি নেলসনের স্ত্রী ছিলেন না। উনি ছিলেন নেলসনের রক্ষিতা মেগান মারসাক!

২। পোপ জন XII – ভাইরে পোপ গনও কামনা বাসনার উর্দ্ধে নহেন! ৯৬৪ সনে ইনি মারা যান। কিভাবে? অন্য এক পুরুষের স্ত্রীর সাথে রতিক্রিয়ারত অবস্হায়!

৩। ফেলিক্স ফয়ার, ফরাসী প্রেসিডেন্ট – ফ্রেন্চদের কামনা বাসনা একটু বেশী বলিয়াই আমরা জানি। কিন্তু ইনি আবার এক কাঠি উপরে। অফিসে থাকাকালিন সময়ে মার্গারেট স্টেনহীল নামের এক ৩০ বৎসর বয়সী রমনী তাকে মুখ দিয়ে যৌবনে আদর করিতেছিলো। এতই উত্তেজিত হইয়া পড়েন জনাব ফয়ার যে হার্ট এটাক হইয়া যায় এবং উনি সেখানেই মারা যান!


যৌবন ও যৌন জীবন সম্পর্কে অন্যান্য লেখা –


৪। মাইকেল হাচিন্স, ইনক্সস ব্যান্ডের গায়ক – ইনি অবশ্য নিজের সাথে নিজেই *** করিবার সময় মারা যান! কিভাবে? ইহাকে ডাক্তারী বিদ্যায় বলে autoerotic asphyxiation! আপনার মাথায় অক্সিজেন প্রবাহ কমিয়া গেলে একধরনের সুখানুভুতি হয় যা অনেকটা ড্রাগ নিবার মতো। যা হউক অনেকে নিজে নিজে ** করার সময় নিজের গলায় টাই, দড়ি ইত্যাদি পেঁচাইয়া ধরে যাহাতে মস্তিস্কে অক্সিজেন প্রবাহ কমিয়া যায়। এতে চরম সুখের আস্বাদ পাওয়া যায়!  মাইকেল হাচিন্সকে ১৯৯৭ সালে তার হোটেল কক্ষে নগ্ন অবস্হায় গলায় টাই পেঁচানো অবস্হায় মৃত পাওয়া যায়। সুরতহালে জানা যায় ইনি autoerotic asphyxiation এ মারা গিযাছেন!

৫। আটিলা – ইনি ৪৩৪ থেকে ৪৫৩ সাল পর্যন্ত ইউরোপের বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি ছিলেন!  তার সময়ে পশ্চিমা ও রোমান সাম্রাজ্যকে ইনি কাঁপাইয়া তুলিয়াছিলেন। এই বীর যোদ্ধা তার বাসর ঘরে স্ত্রীর সাথে কামকলায় মত্ম থাকা অবস্হায় হঠাৎ মারা যান!

৬। পোপ পল ২ – হাঁ ভাই! ইনি দ্বিতীয় পোপ যিনি কাম কলার দরুন মৃত্যু বরন করেন। ১৪৭১ সালে ইনি এক বালকের সাথে আকাম করিবার কালে হার্ট এটাক হইয়া মারা যান!

৭। ডেভিড কারাডিন, হলিউডের বিখ্যাত নায়ক – উপরের ৪ নন্বরের মত ইনিও ব্যাংককের একটি হোটেলে autoerotic asphyxiation এ মারা যান!

৮। জন গারফিল্ড – ইনিও একজন নায়ক! নায়িকা আইরিস হুইটনির সাথে ভালোবাসার খেলা খেলার সময় শেষ হয়ে যান তিনি!

ভাইরে, সাবধানের মাইর নাই। করিবেন, ভালো কথা কিন্তু আগে জীবন পরে যৌবন। আরামে করেন। নরমে করেন। অনেক দিন বাঁচেন।

২০/০১/২০২২, ০৮.৫০ PM

N-Desk

ন্যাশনাল ডেস্ক যা কোথাও কোথাও N-Desk নামেও পরিচিত। এই ডেস্ক থেকে অবিনশ ব্লগে বাংলাদেশের চলমান ঘটনা তুলে এনে পেশ করা হয়ে থাকে। আপনিও চাইলে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আমাদের লিখে পাঠাতে পারেন সম্প্রতি ঘটে যাওয়া যে কোন তথ্য কিংবা ঘটনা সম্পর্কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *