আত্ন-মনোভাব উন্নয়নের কৌশল
আজকাল অনেকেরই লাইফের লক্ষ্য – “অভিব্যক্তিই সবকিছু” হতেই পারে। এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যপার। কিন্তু ব্যক্তিগত ব্যপার আর ব্যক্তিগত থাকেনা তখন, যখন কেউ তার “অভিব্যক্তিই সবকিছু” টাইপ “অভিব্যক্তি” কে হাতিয়ার বানিয়ে আঘাত দিয়ে কালো রঙের শব্দ ছুঁড়ে মারে অপর প্রান্তে থাকা মানুষের মুখে।
এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে প্রতিটা মানুষই সার্থপর। এই সার্থপর মানুষগুলোর মাঝে কম সার্থপর মানুষগুলো তাদের মূল্যবান সময় থেকে কেউ যদি আপনাকে সময় দেয় তাহলে জেনে রাখবেন – আপনি তার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ন একজন। আপনার প্রতি তার কেয়ারনেস আছে বলেই আপনার প্রতিটি ম্যাসেজের, ফোনের, ইমেইলের মূল্যায়ন করে বলেই সময় ক্ষেপন না করেই মূহুর্তের মধ্যেই রিপ্লাই দিয়ে আপনাকে প্রায়োরিটির ক্যাটাগরিতে রেখেছে।
কিন্তু আপনি? সেই মানুষটাকে অন্য আর দশটা বিষয়ের মতো অপশন হিসেবে তাকে ট্রিট করেন। আসলে আমরা কেউই কারো লাইফে অপশন হতে চাই না। আজ আপনি কাউকে অপশন হিসেবে ট্রিট করলে কাল আপনি অন্য কারো লাইফে অপশন হয়ে যাবেন না তারই বা গ্যারান্টি আপনাকে কে দিচ্ছে? আপনার জানা থাকা উচিত, “কখনও কখনও দুঃখিত শব্দ উচ্চারন করার অর্থ এই নয় যে আপনি ভুল ছিলেন। এর মানে হচ্ছে আপনি আপনার অহংবোধ থেকে আপনার সম্পর্ককে বেশি মূল্যায়ন করছেন।”
একথা ধ্রুব সত্য যে, লাইফে আপনি যাকে অগ্রাধিকার দিবেন। সেই আপনাকে বিকল্প (অপশন) হিসেবে নেবে। আর তাই তো কারো কাছ থেকে কখনো আশা করবেন না। যেখানে প্রত্যাশা, সেখানেই কষ্ট। নিজের যা দরকার, সেটা নিজেকেই অর্জন করে নিতে হয়।
যার সাথে রাগ করে ফলাফল পাওয়া যায়, শুধু তার সাথেই রাগ করতে হয়। যেখানে কারো উপর রাগ করে কোন লাভ হয় না, সেখানে তার উপর রাগ বেশিক্ষণ রাখতেও হয় না। তখন রাগের বদলে উপেক্ষা করা শিখতে হয়।
জীবনে হাসি খুশি থাকতে হলে “উপেক্ষা করা” ও “না” বলতে শেখা অনেক বেশি জরুরী।” কিন্তু আফসোস কিছু মানুষ যতটা যত্ন নিয়ে কষ্ট দেয়, তার ঠিক অর্ধেক যত্ন নিয়েও যদি ভালোবাসত, কেয়ার করতো তাহলে সম্পর্ক গুলো আরো অনেক বেশি সুন্দর হতো।
লাইফ হ্যাকিং আরো বেশ কিছু টিপস্ –
- প্রত্যাবর্তন
- তারুন্যের প্রেম
- দায়িত্বের দাপাদাপি
- সম্পর্কের দশটি ফ্যাক্ট
- সৌন্দর্যপ্রীতির মনস্তত্ত্ব
- ভালোবাসার মজার তথ্য
- আপুরা ব্যাগে কি কি রাখবেন
- ভন্ড প্রেমিকদের প্রশ্ন পত্র ফাঁস
- আত্ন-মনোভাব উন্নয়নের কৌশল
- স্বামীকে বশে রাখার এক ডজন টিপস
- মনের মানুষ পটানোর অব্যার্থ কৌশল
তবে যারা সত্যিই “অভিব্যক্তিই সবকিছু” কে জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছেন তাদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট নিচে উল্ল্যেখ করলাম। জানেন নিশ্চয়ই “অভিব্যক্তি” – এমন এক জ্বালানী যার ভুল প্রয়োগ আপনাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছার খার করে ছাড়বে। আবার এর সঠিক প্রয়োগ আপনার সাফল্যের পালে লাগতে পারে রকেটের গতি।
আপনার মনোভাব উন্নত করার ১০টি কৌশল: –
১। নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে স্ব-প্রশিক্ষণ।
২। আপনার উদ্দেশ্য আবিষ্কারের মাধ্যমে আত্ন-প্রেরণা।
৩। কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি।
৪। ইতিবাচক ভাবনা, কথা ও আলোচনা।
৫। শব্দের শক্তি, যেমন – বাহ, দারুন, হুররে।
৬। ইতিবাচক অভিবাদন, এক অনবদ্য শক্তি।
৭। উদ্দীপনা – অনুপ্রাণিত থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
৮। আপনার আত্ন-উন্নয়নের জন্য মনের সাথে দেহের আধ্যাত্মিক সংযোগ।
৯। হাস্যরসের মধ্য দিয়ে আপনার জীবনকে হালকা করুন।
১০। ব্যায়াম আপনাকে অনুপ্রাণিত রাখতে সাহায্য করবে।
১০/০৩/২০২২, ০৯.১০ PM
